ই-পেপার

বছরের শুরুতেই বেড়েছে চাল-ডাল-ডিমের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: January 7, 2022

বছরের প্রথম সপ্তাহে বাজারে চাল, ডাল মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে। এছাড়াও অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম। শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে বরিশাল নগরীর নতুল্লাবাদ বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে সবজির দাম আগের মতই আছে। এসব বাজারে প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, শিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা,বেগুন ৫০ টাকা , ফুল কপি প্রতি পিস ৪০ টাকা, পাতা কপি ৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ৫০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা ও পেঁপের কেজি ৪০ টাকা।

এসব বাজারে পুরান আলুর কেজি ২০ থেকে ২৫ টাকা। দাম কমে নতুন আলু কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা।

আগের দামে বিক্রি হচ্ছে রসুন। চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। দেশি রসুন কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। দেশি আদার কেজি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা। এসব বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকায়।

এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, আদা বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজি। হলুদের কেজি ১৬০ থেকে ২২০ টাকা। বেড়েছে মুসুরির ডালের দাম। দেশি ডালের কেজি ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। গত সপ্তাহে ছিল ১০০ থেকে ১০৫ টাকা কেজি। বেড়েছে ইন্ডিয়ান ডালের দাম। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকা। গত সপ্তাহে ছিল ৯০ টাকা কেজি। এসব বাজারে ভোজ্যতেলের প্রতি লিটার খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের তেলের লিটারও বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়।

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়। আটা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। বাজারে বেড়েছে ডিমের দাম। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়। হাঁসের ডিমের ডজন বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা।
বাজারে বেড়েছে মুরগির দাম। ২০ টাকা দাম ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা। ২০ টাকা দাম বেড়ে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকায়। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা।

নথুল্লাবাদ বাজারের মুরগি বিক্রেতা মো. রুবেল বলেন, শীত বেড়ে যাওয়ায় মুরগির দাম বাজারে বেড়েছে। প্রতি বছরই শীতে মুরগির দাম কম থাকে কিন্তু এবার সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে দাম। বাজারে বেড়েছে চালের দাম। মিনিকেট চালে প্রতি কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৩ থেকে ৬৪ টাকা, আটাশ চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ১ থেকে ২ টাকা। আটাশ চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫১ থেকে ৫২ টাকা। এক সপ্তাহ আগেও আটাশ চালের কেজি ছিল ৪৯-৫০ টাকা।

নথুল্লাবাদ বাজারে চাল বিক্রেতা কালাম সরকার বলেন, হঠাৎ করেই বেড়েছে বাজারে চালের দাম। পাইকাররা বলছে বাজারে ধানের সংকট ও ধানের দাম বাড়তে থাকায় চালের দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, মোটা ধানের সিজন হওয়া সত্ত্বেও দাম বেড়েছে। আসলে বড় বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালের ব্যবসা শুরু করেছে, এরা একবারে অনেক চাল কিনে মজুদ করে, এরপর হঠাৎ করে বাজারে দাম বাড়িয়ে দেয়। সরকারের পক্ষ থেকে এ নিয়ে কোনো মনিটরিং হচ্ছে না।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন